ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

অস্ত্র সমর্পণের বিষয়ে যা জানালো হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:৫৪, ২৬ এপ্রিল ২০২৪
অস্ত্র সমর্পণের বিষয়ে যা জানালো হামাস
হামাসের যোদ্ধারা - ফাইল ছবি

দীর্ঘ প্রায় সাত মাস ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এই হামলার জেরে নিহত হয়েছেন ৩৪ হাজারেরও বেশি মানুষ। লাগাতার হামলায় গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এরইমধ্যে ভেঙে পড়েছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এরপরও ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে পরাজিত করতে পারেনি ইসরায়েল। এমন অবস্থায় অনেকটা শান্তির বার্তাই সামনে আনলো হামাস। স্বাধীনতাকামী এই গোষ্ঠী বলছে, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েলের দখল করা অঞ্চলগুলোতে ফিলিস্তিনিরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেলে হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছেড়ে দিতে পারে বলে হামাসের কিছু কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন।

Advertisement

সিএনএন বলছে, সশস্ত্র এ গোষ্ঠীটির কিছু কর্মকর্তার দেয়া এ বার্তাটি হামাসের অবস্থান কিছুটা নরম হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কারণ গাজা ভূখণ্ডের শাসন ক্ষমতায় থাকা এ দলটি দীর্ঘদিন ধরে ইহুদি রাষ্ট্র তথা ইসরায়েলকে ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর ইস্তাম্বুলভিত্তিক সদস্য বাসেম নাইম বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেন, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে স্বাধীনতাকামী এ সশস্ত্র গোষ্ঠীটি নিজেদেরকে নিরস্ত্র করতে রাজি হবে।

হামাসের সশস্ত্র শাখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি যদি জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়, তাহলে আল কাসামকে জাতীয় সেনাবাহিনীতে একীভূত করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, বহু দশক ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চালানো নির্যাতন, গণহত্যা, ভূমি দখল, মানবাধিকার লঙ্ঘণের মত গুরুতর অনেক অপরাধের প্রতিশোধ নিতে গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এতে প্রায় ১২০০ জন নিহত হন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। এ হামলার প্রতিবাদে সেদিনই অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। টানা প্রায় সাত মাস ধরে চলা নির্বিচার এ হামলায় ৩৪ হাজরেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!