বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের শুরুর দিকেই নিজের শহর সাংহাই থেকে উহানে গিয়েছিলেন ঝাং ঝান। সেখানের হাসপাতালগুলোতে ভিড় এবং জনশূন্য রাস্তার ভিডিও করে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করছিলেন তিনি। তার এসব প্রতিবেদনে মহামারি নিয়ে চীন সরকারের গোপন রাখা অনেক বিষয় প্রকাশ পায় সবার সামনে।
এরপর ২০২০ সালের মে মাসে ঝাং ঝানকে আটক করা হয়। জুনের শেষদিকে তিনি জেলের ভেতর অনশন শুরু করেছিলেন। সে সময় পুলিশ তার হাত বেঁধে একটি টিউব দিয়ে জোর করে তাকে খেতে বাধ্য করেছিল বলে দাবি করেছিলেন আইনজীবীরা।
.png)
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ডিসেম্বরেই বিবাদ ও ঝামেলা উসকে দেয়ার অভিযোগে ঝাংকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয় চীনা আদালত।
এদিকে ঝাংয়ের একজন আইনজীবী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মুক্তি দেওয়া হবে কি-না সেই বিষয়ে তিনি এখনো নিশ্চিত করতে পারেননি।
এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিনও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঝাংয়ের মুক্তির বিষয়ে তার কাছেও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মাঝামাঝিতে কারাগারের ভেতর ঝাংয়ের স্বাস্থ্যের গুরুতর অবনতি ঘটেছিল। পরে তাকে কারা হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল।
ঝাংয়ের একজন সমর্থক তার মুক্তির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাক্সে লিখেছেন, ‘মুক্তি পাওয়া লোকেরা সাধারণত কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। এই প্রক্রিয়াটি কারাগারের চেয়েও বেশি বেদনাদায়ক। তবুও আমি আশা করি, তিনি (ঝাং) তার প্রাপ্য স্বাধীনতা ফিরে পাবেন।’