এক বিবৃতিতে গারুদার নির্বাহী পরিচালক ইরফান সেতিয়াপুত্রা এক বিবৃতিতে বলেন, বিমানটি টেক অফের পরপরই সেটির একটি ইঞ্জিনে আগুন লাগে। সম্ভবত ফ্লাইট শুরুর আগে সেটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা হয়নি। আগুন দেখতে পাওয়া মাত্র পাইলট তাৎক্ষণিকভাবে বিমান অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন।
বিমানটিতে ৪৫০ জন যাত্রী ছাড়াও ১৮ জন ক্রু ছিলেন। তবে তাদের কেউই হতাহত হননি। ইরফান জানিয়েছেন বিমানটি অবতরণের দুই ঘণ্টার মধ্যে যাত্রীদের জন্য নতুন আরেকটি বিমানের বন্দোবস্ত করেছে গারুদা। সেই সঙ্গে মেরামতের জন্য গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে আগুন লাগা বিমানটিকে।
.png)
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় শত শত দ্বীপ রয়েছে। এসব দ্বীপের বাসিন্দাদের এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যেতে বিমানের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে গত দুই বছরে কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনা ঘটায় অনেক ইন্দোনেশীয় অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের বেলায় বিমান এড়িয়ে চলছেন।
সূত্র: সিএনএন