শুক্রবার জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত গাজার রাফায় ইসরায়েলি অভিযান বন্ধে নির্দেশ দেওয়ার পর গুতেরেস এসব কথা বলেছেন বলে তার মুখপাত্র জানিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আদালতের রায় মানা বাধ্যতামূলক এবং তিনি বিশ্বাস করেন সকল পক্ষই আদালতের এ রায় মেনে চলবে।
.png)
শুক্রবারের রায়ে আইসিজের প্রধান বিচারপতি নওয়াফ সালাম বলেন, রাফায় তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলের যেকোনো হামলা বন্ধ করতে হবে। যে হামলায় গাজার ফিলিস্তিনি ও তাদের অবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
রাফায় ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দারস্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটি দাবি করে, গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এ কারণে সেখানে হামলা বন্ধ করতে হবে।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় এবং কয়েকশ মানুষকে হত্যা ও জিম্মি করে। এ হামলার প্রতিশোধ নিতে পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল। এ হামলায় ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। নিহতদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশু। অনেক অন্তঃসত্ত্বা নারীর প্রাণও গেছে। বেসামরিক এসব ফিলিস্তিনির মৃত্যুর বিচার চেয়ে গত নভেম্বরে আইসিজেতে মামলাটি করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই মামলায় গতকাল অন্তর্বর্তী আদেশ দিলেন আইসিজে।
তবে ইসরায়েল যেহেতু আইসিজের সদস্য নয়; তাই তারা রায় মানবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এছাড়া এ রায় বাস্তবায়নে আইসিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও আছে। আইসিজের রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হামাসের এক মুখপাত্র বলেন, আমরা এ আদেশকে স্বাগত জানাই। অন্যদিকে আইসিজের রায়কে ‘নৈতিক ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ করে ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ বলেছেন, আমরা হামাসের নির্মম হামলা থেকে আত্মরক্ষা করতে বাধ্য হয়েছি।