গত এপ্রিল মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশটির লোকসভার ৫৪৩টি আসনের নির্বাচন সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে কোনো দল বা জোটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে কমপক্ষে ২৭২টি আসনে জিততে হবে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা। সবার আগে পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হবে। এরপর ভোটারের সংখ্যার অনুপাতে ইভিএম গণনার কাজ হবে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব এজেন্ট থাকবেন কাউন্টিং স্টেশনে। আরো থাকবেন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং বিদেশি পর্যবেক্ষক।
.png)
দেশটির অন্যতম দীর্ঘ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এবার ছয়টি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল ছাড়াও আড়াই হাজারের মতো প্রাদেশিক রাজনৈতিক দল নিজস্ব প্রতীকে লড়ছেন। নির্বাচনী যুদ্ধে শামিল হয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার প্রার্থী। একইভাবে জানা যাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার বিধানসভার ফলও।
১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো ভারত। কোন রাজ্যে কে জয়ী হবে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। বিজেপি নাকি কংগ্রেস, এনডিএ জোট (নরেন্দ্র মোদি) নাকি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট (রাহুল গান্ধী); লোকসভা নির্বাচনে কারা বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার গঠন করবে, এগিয়ে চলছে সেই প্রক্রিয়া।
৫৪৩ আসনের লোকসভা নির্বাচনে সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ২৭২। প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ভোট গণনা শুরুর প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির ক্ষমতাসীন জোট এনডিএ। তবে জোর টক্কর দিচ্ছে বিরোধী ইন্ডিয়া জোটও। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারাও এনডিএ’র সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে চলেছে।
এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের পর বুথফেরত জরিপে এগিয়ে রয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। দেশটির শীর্ষস্থানীয় ৮টি সমীক্ষা সংস্থার প্রকাশিত বুথফেরত জরিপের আভাস বলছে, তৃতীয়বারের মতো নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স-এনডিএ জোট ক্ষমতায় বসছে। তবে, এই জরিপকে প্রত্যাখ্যান করেছেন আম আদমি পার্টির বিধায়ক সোমনাথ ভারতী।