সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার তথ্যানুযায়ী, ভারতের পঞ্জাবের লুধিয়ানার বাসিন্দা যুবরাজ। ২০১৯ সালে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কানাডায় পড়তে যান তিনি। পড়াশোনা শেষ করার পর সেখানেই এক কোম্পানিতে সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে কানাডার নাগরিকত্বও পেয়ে যান।
জানা গেছে, পুলিশ এরইমধ্যে চারজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন, মনবীর বাসরাম, সাহিব বাসরা, হারকিরাত ঝুট্টি ও কেইলন ফ্রানকোইস। তাদের মধ্যে মনবীর, সাহিব, হারকিরাত— তিনজনই সারের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
.png)
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭ জুন সকাল পৌনে ৯টার সময় একটি ফোন কল পান তারা। ফোনে জানানো হয়, ব্রিটিশ কলম্বিয়া এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবরাজকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
সেখানকার পুলিশ জানিয়েছে, কোনো অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না যুবরাজ। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে যুবরাজকে খুন করা হয়েছে, না কি অন্য কারণ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুবরাজের পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।