রোববার (২৩ জুন) তারা এটি দখলে নেয় বলে নিশ্চিত করেছে এএর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র।
এক প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সংবাদমাদ্যম দ্য ইরাবতি জানায়, পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উপকূলীয় শহরের থান্ডওয়ে বিমানবন্দরটি বিখ্যাত এনগাপালি সমুদ্র সৈকতের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার। ২০২১ সালে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর এটিই প্রথম বিমানবন্দর যা একটি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দখলে এলো। বিমানবন্দরটির কাছে জি ফিউ কোন গ্রামে বেশ কিছুদিন থেকেই জাতিগত রাখাইন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং জান্তা সৈন্যরা সংঘর্ষে লিপ্ত।
.png)
সূত্রটি জানিয়েছে, আরাকান আর্মি থান্ডওয়ে বিমানবন্দরটি দখল করেছে। সেই সঙ্গে ১৩২ জন জান্তা সেনা এবং ৪৭ জন পুলিশ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আটক করেছে।
রাখাইনের চারটি বিমানবন্দরের মধ্যে থান্ডওয়ে বিমানবন্দর একটি। তবে এই বিমানবন্দরটি দখলের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করেনি আরাকান আর্মি। থান্ডওয়েতে যুদ্ধের বিষয়ে মিয়ানমার সরকারও নীরব ছিল।
এদিকে থান্ডওয়ে বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে চলে যাওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছে জান্তা সরকারের টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলো। তারা দাবি করেছে, বিমানবন্দর থেকে প্রায় ১৫০০ মিটার দূরের একটি পাহাড়ে সংঘর্ষ হয়েছে।
স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে রাখাইনে জান্তা বাহিনীর ওপর হামলা করে আসছে আরাকান আর্মি। এরইমধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বেশ কিছু অঞ্চল জান্তার হাত থেকে নিজেদের দখলে নিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। ফলে বিরোধীদের চাপে জর্জরিত জান্তা সরকারের ওপর চাপ আরো বাড়িয়ে চলেছে আরাকান আর্মি।