রোববার (৩০ জুন) প্রদেশটির রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণের শহর রাওয়ালাকোটের পুঞ্চ জেলা কারাগারে এ ঘটনা ঘটে।
আঞ্চলিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বদর মুনির জানান, কয়েদিদের কাছে একটি পিস্তল ছিল। তারা একজন প্রহরীকে জিম্মি করে অস্ত্রটি রাখেন।
.png)
মুনির আরো জানান, তারা অস্ত্রটি কারাগারের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিয়েছে নাকি বাইরে থেকে এনেছে, তা স্পষ্ট নয়।
কাশ্মীর কারাগারের মহাপরিদর্শক ওয়াহেদ আলি গিলানি বলেন, ২০ জন কয়েদি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে। এসময় পালাতে গিয়ে ক্রসফায়ারে একজন নিহত হয়েছে। বাকি ১৯ জন পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা রিয়াজ মুঘল বলেছেন, পুলিশ রাওয়ালাকোটের প্রবেশ ও প্রস্থান পয়েন্টগুলি বন্ধ করে রেখেছে।
এছাড়া পালিয়ে যাওয়া কয়েদিদের খুঁজে বের করার জন্য অনুসন্ধান অভিযান চলছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের কারাগারগুলো অতিরিক্ত কয়েদি, বেহাল দশা, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য পরিচিত। এছাড়াও ধীর গতির বিচার প্রক্রিয়ার কারণে কয়েদিদের দীর্ঘমেয়াদে জেলে অবস্থানের জন্য ঘটনাও ঘটছে।
জঙ্গি সংগঠনগুলোর সদস্যরা অতীতেও পাকিস্তানে বেশ কয়েকটি কারাগার ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। যার মধ্যে ২০১২ সালে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বান্নুতে কারাগার ভেঙে ৪০০ জন কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা অন্যতম।
সূত্র: ডন নিউজ, এএফপি