চলতি সপ্তাহে লেবাননে বিস্ফোরণ-হামলায় নিহত ৭০
চলতি সপ্তাহে লেবাননে পেজার বিস্ফোরণ, ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ এবং ড্রোন হামলার ঘটনায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরো ১৭৭ জন।
লেবাননে পরপর দুদিন বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসে বিস্ফোরণের পর হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের অবস্থান লক্ষ্য করে দেশটিতে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
শুক্রবারের হামলায় হিজবুল্লাহর এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লেবানন সীমান্ত নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে।
.png)
মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক, সিরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ত্রিশ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। সিরিয়া ছাড়া বাকি দেশগুলোতে মার্কিন সেনারা দেশগুলোর অনুমতি নিয়েই মোতায়েন রয়েছেছে।
এই পরিস্থিতি হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেই।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চালানো এই অভিযানে তাদের যুদ্ধবিমানগুলো দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দক্ষিণ লেবাননে শতাধিক রকেট-লঞ্চারে আঘাত হানে। ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত প্রায় এক বছরের মধ্যে লেবাননে এটিই ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার পর দক্ষিণ লেবাননে ৫২টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির তিনটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের অক্টোবরে গাজায় সংঘাত শুরুর পর এটিই লেবাননে সবচেয়ে বড় বিমান হামলা।