বুধবার (২ অক্টোবর) শুরু হওয়া এই সফরে তিনি এশীয় দেশগুলোর সহায়তা নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান জোরদার করতে চান। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে পেজেশকিয়ানের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাতারে প্রথমবারের মতো সফরে এসে পেজেশকিয়ান হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহর হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেন। গত ৩১ জুলাই তেহরানে ইসমাইল হানিয়াহর হত্যার ঘটনায় ইরান ইসরায়েলকে দোষারোপ করছে। যদিও ইসরায়েল তার মৃত্যুর দায় স্বীকার বা অস্বীকার করেনি।
.png)
ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্কে পেজেশকিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আমরাও শান্তি ও নিরাপত্তা চাই। ইসরায়েল তেহরানে হানিয়াহকে হত্যা করেছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, যদি আমরা ব্যবস্থা না নেই, তবে এক সপ্তাহের মধ্যে গাজায় শান্তি ফিরে আসবে। আমরা তাদের আশ্বাসে অপেক্ষা করেছি। কিন্তু তারা হত্যাকাণ্ড বাড়িয়ে চলেছে।
কাতার সফরে যাত্রার আগে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে পেজেশকিয়ান বলেন, যদি জায়নবাদী সরকার (ইসরায়েল) অপরাধ বন্ধ না করে, তবে আরো কঠোর প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হবে।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আরো বলেন, কাতারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং চুক্তি স্বাক্ষর করা তার প্রথম লক্ষ্য। এছাড়া তিনি এশিয়া কোঅপারেশন ডায়ালগের (এএসিডি) শীর্ষ সম্মেলনেও অংশ নেবেন।
তিনি আরো বলেছেন, দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো এশীয় দেশগুলো কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অপরাধ ঠেকাতে এবং শত্রুদের দ্বারা সৃষ্ট অস্থিরতা রোধ করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা।
সূত্র: রয়টার্স