ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলি সৈন্যদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:১৩, ১৩ অক্টোবর ২০২৪
হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলি সৈন্যদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ
ফাইল ফটো

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে দখলদার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) সদস্যদের সঙ্গে সশস্ত্র প্রতিরোধগোষ্ঠী হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের খুব কাছ থেকে মুখোমুখি সংঘর্ষ চলছে।

রোববার (১৩ অক্টোবর) দক্ষিণ লেবাননের কাছের একটি সীমান্ত গ্রামে এই সংঘর্ষ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে হিজবুল্লাহ।

এর আগে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে হাইফা বন্দরের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে মুহুর্মুহু রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হিজবুল্লাহ।

Advertisement

এই হামলার পর এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, সীমান্ত গ্রাম ব্লিদায় ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা মেশিন গান নিয়ে ‘পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জে’ লড়াই করছেন।

এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননের সীমান্ত লাগোয়া বিস্তৃত অঞ্চলে তাদের হামলা বৃদ্ধি করেছে। হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত অঞ্চলের ভেতরে ও বাইরে বোমা হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। কিছু এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ চলছে বলেও জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

লেবাননের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) বলেছে, শনিবার দক্ষিণ লেবাননের নবতিয়েহ শহরের একটি বাজারে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এছাড়া রোববার সীমান্ত লাগোয়া লেবাননের একটি গ্রামে শত বছরের পুরোনো মসজিদ ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি সৈন্যরা।

লেবাননের অন্যান্য এলাকায়ও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। দেশটির খ্রিস্টান পর্বত এলাকার শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত একটি গ্রামে হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উত্তর লেবাননের একটি শিয়া গ্রামেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

উত্তর লেবাননের দেইর বিল্লা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে দেখা যায়, বিমান হামলার পর খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন গ্রামবাসী ও উদ্ধারকারীরা।

ইসরায়েলি হামলায় কাফার তিনবিত শহরের একটি মসজিদ ধ্বংস হয়েছে। শহরটির মেয়র ফুয়াদ ইয়াসিন বলেছেন, বিমান হামলায় মসজিদটি ধ্বংস হয়েছে। প্রিয় একটি স্থান হারিয়ে এখন তিনি বেশ ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন। হামলার পরপরই মসজিদের ধ্বংসস্তূপের কাছে শত শত মানুষ জড়ো হয়েছেন।

এএফপিকে ফুয়াদ ইয়াসিন বলেন, ‘এটি একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ছিল। কারণ বিশেষ অনুষ্ঠানের সময় পরিবারগুলো এর ঠিক পাশের স্কয়ারে জড়ো হতেন। মসজিদটি অন্তত শত বছরের পুরোনো।’

শনিবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনটি গ্রামে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সূত্র: এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!