শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাতে রাজধানী সানা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরের শহর সিয়ুনে এই ঘটনা ঘটে। সৌদির নেতৃত্বাধীন ওই ঘাঁটিতে সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল, তখন ওই ইয়েমেনি সেনা প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন। তার গুলিতে নিহত ও আহতদের সৌদি আরবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, হামলাকারী ব্যক্তির ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে এই হামলা তিনি নিজে থেকেই করেছেন, এটি ইয়েমেনের মন্ত্রণালয়ের মূল মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করে না। হামলায় আহত কর্মকর্তা এবং নিহতদের মরদেহ ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবে নেয়া হয়েছে।
.png)
আল-মালিকি বলেন, ইয়েমেনের মন্ত্রণালয়ের বেশিরভাগ সদস্য জোটের বৈধতা রক্ষার প্রচেষ্টাকে সম্মান করেন এবং ইয়েমেনের মানুষের দুঃখ লাঘবে সৌদি আরবের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, ইসলামি প্রতিরোধগোষ্ঠী হুতিদের দমনে ইয়েমেনে সেনা পাঠিয়েছে সৌদি আরব। এছাড়া দেশটিতে ব্যাপক বিমান হামলাও চালিয়েছে তারা। তবে গত এক বছর ধরে সৌদি ও হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। এই সময়ের মধ্যে হুতিরা লোহিত সাগরে চলাচলরত ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট অসংখ্য জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে সৌদির সেনাদের ওপর হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করেনি হুতিরা। তবে তাদের এক কর্মকর্তা বলেছেন, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠিন বাস্তবতা শুরুর ইঙ্গিত এটি।
সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)