গত শনিবার (৯ নভেম্বর) সরকারি একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক ডিক্রিতে এ তথ্য জানা গেছে। যার ফলে এবার দুই দেশের কোনওটির উপরে হামলা হলে অন্য দেশটি পাশে দাঁড়াবে।
উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে গত জুনে অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ সম্মেলনের পর রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে আরো শক্তিশালী জোটবদ্ধ হয়েছে মস্কো ও পিয়ংইয়ং। চুক্তিতে সশস্ত্র আক্রমণের ক্ষেত্রে এক দেশ অপর দেশকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
.png)
রাশিয়ার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ এ সপ্তাহে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। আর গত মাসে নিম্নকক্ষে এই চুক্তি অনুমোদন পায়। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ বিষয়ে একটি ডিক্রি স্বাক্ষর করেন। সেই ডিক্রি শনিবার সরকারি একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
২০২২ সালের ফেব্রয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পুরোদস্তুর আগ্রাসন শুরুর পর থেকে মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরো পাকাপোক্ত করেছে এই চুক্তি।
দক্ষিণ কোরিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। ইউক্রেনের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা রুশ হামলাস্থলে এই অস্ত্রের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও বলেছেন, উত্তর কোরিয়া ১১ হাজার সেনা পাঠিয়েছে রাশিয়ায়। তাদের মধ্যে কিছু সেনা রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কুরস্ক অঞ্চলে কিয়েভের বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে হতাহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে রাশিয়া এখন পর্যন্ত যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনা উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়নি।
সূত্র: রয়টার্স