শনিবার (৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে কাসাম ব্রিগেড দাবি করেছে যে, তারা একটি ইসরায়েলি হেলিকপ্টারের দিকে রকেট দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের কাছে একটি যানবাহনে হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়। বেশ কিছু ফুটেজ থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
.png)
এদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত দু’দিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। সেখানে আরো তীব্র হামলা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার কমপক্ষে ৭৩ ফিলিস্তিনি এবং বৃহস্পতিবার আরো ৭৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, গাজার ২৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৩৬টি ইসরায়েলি হামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে সেখানে ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৫ হাজার ৭১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরো ১ লাখ ৮ হাজার ৮৫৬ জন।
এর আগে গাজার খান ইউনুসের কাছে আল-মাওয়াসি নামক এক ‘মানবিক অঞ্চল’-এ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।
নিহতদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে ছিল। তাদের বয়স সাত থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। এই ঘটনায় আরো অনেকে আহত হয়েছেন। এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ বলেছে, শিশুদের জন্য এখন কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়-না বোমা থেকে, না ঠান্ডা, রোগ বা ক্ষুধা থেকে। এই ধ্বংসযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা