ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

উত্তাল সমুদ্রে বাংলাদেশি নাবিককে উদ্ধার

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২৩, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উত্তাল সমুদ্রে বাংলাদেশি নাবিককে উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ভারতের উত্তর আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের ডিগলিপুরের কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ থেকে গুরুতর আহত এক বাংলাদেশি নাবিককে উদ্ধার করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ৩৬ বছর বয়সী ওই নাবিক জাহাজে পড়ে গিয়ে মাথা ও মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন।

এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যে উত্তাল সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

Advertisement

ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী জানায়, শ্রী বিজয়পুরমের সামুদ্রিক উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্র থেকে নাবিকের বিপদের খবর পাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। খবর পেয়ে ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ ‘রাজদূত’ ডিগলিপুরের কাছে পৌঁছায়। ওই সময় সমুদ্র ছিল বেশ উত্তাল।

ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, অন্ধকার ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ‘রাজদূত’ জাহাজটি নিরাপদে আহত বাংলাদেশি নাবিককে পণ্যবাহী জাহাজ থেকে তুলে নেয়।

উদ্ধারের পর আহত নাবিককে ডিগলিপুর বন্দরে নেওয়া হয়। পরে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি উড়োজাহাজে করে তাকে শ্রী বিজয়পুরমে নেওয়া হয়। সেখানে জিবি প্যান্ট হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী বলেছে, বিভিন্ন সংস্থার দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে আহত নাবিককে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। সমুদ্রে মানুষের জীবন রক্ষায় এ ধরনের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।

এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর ভারতের গুজরাটের কান্দলার কাছে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের সংঘর্ষের পর ২১ নাবিককে উদ্ধার করেছিল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চেন্নাই কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, কান্দলার কাছে ‘এমভি কেম্যাক্স এম্পেরর’ ও ‘এমভি ট্রু মেরিনার’ নামের দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

সংঘর্ষের সময় ‘এমভি কেম্যাক্স এম্পেরর’-এ ২৪ জন নাবিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়। জাহাজটির কার্যক্রম সচল রাখার জন্য বাকি তিনজন নাবিককে জাহাজে রাখা হয়েছিল বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!