শি চিনপিংকে স্বাগত জানিয়ে বিরল নজির ট্রাম্পের
চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে স্বাগত জানাতে সরাসরি সামরিক বিমানঘাঁটিতে গিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রীয় সফরে আসা শিকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে স্বাগত জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ধরনের অভ্যর্থনা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় বিরল বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় শি চিনপিংয়ের বিমান মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর ট্রাম্প রানওয়েতে গিয়ে বিমানের সিঁড়ির কাছে তাকে স্বাগত জানান। বিমানঘাঁটিটি হোয়াইট হাউস থেকে প্রায় ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
.png)
সাধারণত ওয়াশিংটনে সফররত বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের হোয়াইট হাউসে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তবে ট্রাম্প এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের প্রবেশপথে এবং চলতি বছরের এপ্রিলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসকে সাউথ পোর্টিকোতে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
ইতিহাসে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের বিমানবন্দরে গিয়ে বিদেশি নেতাদের স্বাগত জানানোর নজির রয়েছে। ১৯৬২ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ওয়াশিংটন এলাকার বিমানবন্দরে আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনিসহ কয়েকজন বিদেশি নেতাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এ ধরনের অভ্যর্থনা মূলত পোপদের সফরের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে।
এর আগে ২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট এবং ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পোপ ফ্রান্সিসকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের এই অভ্যর্থনা সম্পর্কে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি অ্যাক্সিওসকে বলেন, গ্রীষ্মে চীনে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক সম্মেলনে শি চিনপিং ট্রাম্পকে আতিথেয়তা দিয়েছিলেন। এবার চীনা প্রেসিডেন্ট ও প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্প সেই আতিথেয়তার প্রতিদান দিচ্ছেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর শি চিনপিং ও তার স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাতে রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে দুই দেশের নেতাদের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।