ঢাকা,  বুধবার   ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

হামাসের হামলার ৩ বছর, গাজায় এখনো কাটেনি সংকট

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৯, ৭ অক্টোবর ২০২৬
হামাসের হামলার ৩ বছর, গাজায় এখনো কাটেনি সংকট
ছবি: রয়টার্স

হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী পালন করেছে ইসরায়েল। গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই প্রথমবারের মতো হামলাটির বার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মাত্র তিন সপ্তাহ আগে এই স্মরণ আয়োজন ঘিরে দেশটিতে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে স্মরণসভা। স্বজনরা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নিহতদের প্রতি। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজা উপত্যকায় মানবিক সংকট ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে গাজা সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে রকেট, বন্দুক ও গ্রেনেড নিয়ে হামলা চালায় হামাস। ইসরায়েলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওই হামলায় ১ হাজার ২২১ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৪৪ জন পরবর্তী সময়ে মারা যান।

হামলার অন্যতম প্রধান ঘটনাস্থল নোভা মিউজিক উৎসবে ৩৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। এ ছাড়া কিবুতজ কাফার আজায় ৬৪ জন প্রাণ হারান।

বার্ষিকী উপলক্ষে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি তেল আবিবগামী একটি বিমানে ব্যর্থ হামলার ঘটনা এবং সম্ভাব্য হামলার গোয়েন্দা তথ্যের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় স্মরণসভায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় ভবিষ্যতে আর হামাসের শাসন মেনে নেওয়া হবে না। ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত ব্যক্তি এবং জিম্মি করার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর পর গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এ পর্যন্ত ৭৪ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পুরো উপত্যকার বড় একটি অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সংঘাত পরবর্তী সময়ে লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও গাজা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান এখনো হয়নি।

বর্তমানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজার ৬০ শতাংশের বেশি এলাকা ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১ হাজার ৪৩০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

পুনর্গঠন কার্যক্রম থমকে থাকা এবং গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি এখনো তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
eMythMakers
Transform Your Digital Presence
Enterprise-grade IT & Web Solutions
Our Expertise
Custom Web Dev News Portals Mobile Apps SEO & Marketing
Ready to Scale Up?
Partner with industry experts today.
Get Started Now
eMythMakers
Transform Your Digital Presence
Enterprise-grade IT & Web Solutions
Our Expertise
Custom Web Dev News Portals Mobile Apps SEO & Marketing
Ready to Scale Up?
Partner with industry experts today.
Get Started Now
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!