অভিনয়ের বাইরে ব্যস্ততা কী নিয়ে?
স্বাগতা: আনন্দম স্কুলটি ফাউন্ডেশন করছি। আগে এখানে গানের পাশাপাশি অভিনয় ও গিটার বাজানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে বৃহৎ পরিসরে গান, অভিনয়, যন্ত্র সংগীত, ইয়োগা, আবৃত্তি, অঙ্কন শেখানো হবে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে বারিধারায় নিজস্ব জায়গায় শুরু হবে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম। এ নিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ততা যাচ্ছে আমার।
নতুন নাটকে কাজ করেছেন কি?
স্বাগতা: চলতি মাসেই দুটি একক নাটকে কাজ করেছি। ‘বড় ভাই’ ও ‘বাবার জামা’ শিরোনামের নাটক দুটি পরিচালনা করেছেন শিবলী। সহশিল্পী বর্ষণ, ফজলুর রহমান বাবু, মোমেনা চৌধুরী, মনিরা মিঠু। লন্ডন প্রবাসী তানিনের পরিচালনায় একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। সময় হাতে না থাকা ও গল্প-চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় দুটি ধারাবাহিক নাটক ফিরিয়ে দিয়েছি। এখন আসলে গৎবাঁধা চরিত্রে অভিনয় করতে চাই না।
.png)
নতুন আর কোনো সিনেমায় কাজ করছেন কি?
স্বাগতা: না। তবে নুরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’ সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায়। এতে কয়েক বছর আগে কাজ করেছি। নতুন সিনেমার প্রস্তাব আসছে, কিন্তু আরেকটু সময় নিতে নিচ্ছি। আরো ভাল কাজে যুক্ত হতে চাই।
গান নিয়ে কিছু করছেন?
স্বাগতা: দুটি গান নিয়ে কাজ করেছি। একটির কাজ শেষ। আরেকটি চলছে। আমি আর আমার স্বামী আজাদ দুইজনে মিলেই গান দুটি করছি। কাজ শেষে গান দুইটি পরপর রিলিজ দেব।

নতুন সংসার কেমন চলছে?
স্বাগতা: আল্লাহর অসীম কৃপায় অনেক ভাল যাচ্ছে। আমাদের দুজনের বোঝাপড়া খুব সুন্দর। সবাই দোয়া করবেন।
বিয়ের পর অনেকটাই অন্তরালে চলে যাওয়ার কারণ কী?
স্বাগতা: অন্তরালে যাইনি। নতুন সংসার গোছাতে সময় দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া বাবার রেখে যাওয়া আনন্দম স্কুলটি ফাউন্ডেশনে রূপ দিচ্ছি। এত ব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে সচল রেখেছি অভিনয়ে। গত ঈদে দেয়ালের দেশ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে আমাকে। সিনেমাটি খুব ভালো চলেছে। ঈদের কয়েকটি সিনেমা হল থেকে নেমে গেলেও দেয়ালের দেশ দর্শক ধরে রেখেছে। প্রায়ই হাউস ফুল হয়েছে।
দেয়ালের দেশ হলে গিয়ে দেখেছেন?
স্বাগতা: সিনেমার টিমের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছে। সিনেমাটি সত্যিই ভালো লাগার। গল্পের পাশাপাশি সিনেমায় শিল্পীদের ব্যতিক্রম উপস্থাপন দর্শক টেনেছে। এখানে শরিফুল রাজ ও শবনম বুবলীকে গ্ল্যামার লুকে দেখা যায়নি। তারপরও দর্শক উপভোগ করেছে।