ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬:৩৫, ২০ অক্টোবর ২০২০
এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে
ফাইল ফটো

সিলেটের এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় যৌথ অনুসন্ধান কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে। পরে আদালত প্রতিবেদনটির ওপর আগামী ১ নভেম্বর শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে ১৭৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়। তবে আদালতে শুনানি হওয়ার আগে প্রতিবেদন সম্পর্কে কিছুই বলতে রাজি হননি মামলার আইনজীবীরা।

সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী প্রতিবেদনটি দাখিল করেন।

Advertisement

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর অনুসন্ধান কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অনুসন্ধানে যৌথ কমিটি গঠন করে দেন হাইকোর্ট। সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারকে এই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি অনুসন্ধানের সময় কমিটির সদস্যদের নিরাপত্তা ও তাদের সহযোগিতা করতে পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেয়া হয়।

এছাড়াও গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

সিলেটের এম সি কলেজে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ব্যবস্থা চেয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন। পরে আদালত এ বিষয়ে আইনজীবীকে আবেদন দাখিল করতে বলেন। পরে আইনজীবী গৃহবধূর ধর্ষণের ঘটনায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন জানান এবং এর শুনানি করেন।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন এক তরুণী। এসময় ক্যাম্পাস থেকে কয়েকজন ছাত্র স্বামীকে বেঁধে মারধর করে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী সেদিন রাতে বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় এজাহারে আসামি করা হয় ছয় জনকে। সেইসঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরো দুই-তিন জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলো− এম সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। এরইমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!