সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ আদেশ দেন।
দুই কর্মকর্তা হলেন- ওয়ান ব্যাংকের গুলশান-১ শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ এমরান হোসেন (৩৮) ও একই শাখার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল আদিল (৪৭)।
.png)
এদিন এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম দুজনের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আগামী ৬০ দিনের জন্য তাদের বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন।
এর আগে, ১৫ ডিসেম্বর তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এ মামলার অপর আসামি হলেন- ওয়ান ব্যাংক গুলশনা-১ শাখার ফার্স্ট এসিস্টেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিউল আলম।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৬৯/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও (৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, অসৎ উদ্দেশ্যে একে অন্যের সহায়তায় প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয়ে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক চারটি ইন্সুরেন্স কোম্পানির ব্যাংক হিসাবসহ অন্যান্য ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অবৈধ প্রক্রিয়ায় ১১ কোটি ৪০ লাখ ২৩ হাজার ৯২০ টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে জমা করে উত্তোলনপূর্বক আত্মসাত অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত উক্ত অপরাধলব্ধ আয়ের উৎসগোপন করার লক্ষ্যে উহা স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং ধরায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।