কারাগারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক উম্মে সালমাকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে ১১ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নূর হোসেনসহ তিনজন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পার্ট-২ এর কনডেম সেলে বন্দি রয়েছেন। কনডেম সেলে নূর হোসেন গোপনে মোবাইল ব্যবহার করছেন খবর পেয়ে ৫ জানুয়ারি সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। ঐ সময় সেখান থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
.png)
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দুটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভাই-ভাতিজাকে জেতাতে কারাগারের কনডেম সেলে বসেই মোবাইলে বয়োজ্যেষ্ঠদের নির্দেশ দিচ্ছিলেন নূর হোসেন। ১৬ জানুয়ারির নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে লড়ছেন নূর হোসেনের ছোট ভাই নূর উদ্দিন আর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ভাতিজা শাহ জালাল বাদল। দু’জনার প্রতীকই ঠেলাগাড়ি। ভোটের মাঠে তাদের পক্ষে লড়তেই বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কারাগার থেকে মোবাইলে যোগাযোগ রাখছিলেন ফাঁসির আসামি নূর হোসেন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। তিনদিন পর তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঐ ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।