বুধবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেরিন কোর্টের বিচারক (স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) জয়নাব বেগমের আদালতে নৌপরিবহন অধিদফতরের মুখ্য পরিদর্শক মো. শফিকুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।
আরো পড়ুন>>> ট্রলারডুবির ৫ দিন পর মা মেয়েসহ ৬ জনের লাশ উদ্ধার
.png)
পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন- এম.ভি. ফারহান-৬ লঞ্চের মাস্টার কামরুল হাসান, ড্রাইভার জসিম উদ্দিন ভূইয়া ও ট্রলারের সুকানি জসিম মোল্লা।
নৌ-আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি বেল্লাল হোসাইন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৫ জানুয়ারি বুড়িগঙ্গার ধর্মগঞ্জে এম.ভি. ফারহান-৬ লঞ্চের সঙ্গে একটি ট্রলারের সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রলারের একাধিক যাত্রী নিহত ও কয়েকজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ আছে।
আরো পড়ুন>>>মা-ভাইবোনের পর ভেসে উঠল দেড় বছরের সেই তাসফিয়ার লাশ
পুলিশ ও প্রতক্ষদর্শীরা জানান, গত ৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বক্তাবলী ঘাট থেকে ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ ঘাটে যাচ্ছিল। অপরদিকে বরিশাল থেকে একটি যাত্রীবোঝাই লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে আসছিল। ধর্মগঞ্জ চতলারমাঠ গুদারাঘাট বরাবর লঞ্চ ও ট্রলারের সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ ঘটনার পর ট্রলারে থাকা ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী সাঁতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হন।