ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

অবৈধ সম্পদ অর্জন 
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪২, ২৫ জানুয়ারি ২০২২
ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ
ফাইল ফটো

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আরো দুজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। 

এ মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। দুই সাক্ষী হলেন- কর অঞ্চল-৪ এর সহকারী কর কমিশনার রিয়াসাদ আজিজ ও এশিয়ান সী ফুড লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান।

মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

Advertisement

এদিন আসামি ডিআইজি মিজান ও তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে দুই সাক্ষীর জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। জেরা শেষ হলে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। তবে ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর একই আদালত ডিআইজি মিজানুর রহমানসহ চার জনের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে আদালত গত বছরের ২৭ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

এরপর গত বছরের ২২ নভেম্বর মামলার বাদী দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দেন আদালত। এর আগে গত বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি পলাতক দুই আসামি ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মিজানুর রহমান তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে ২৪ লাখ ২১ হাজার ২২৫ টাকায় শুলশান-১ এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ২১১ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকান বরাদ্দ নেন। এছাড়া মিজানুর রহমান নিজে নমিনী হয়ে তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর একটি ব্যাংকে এফডিআর একাউন্ট করে ৩০ লাখ টাকা জমা করেন। তবে দুদকের অনুসন্ধান চালু হওয়ার পরে সে টাকা ভাঙিয়ে সুদে-আসলে ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭ টাকা তুলে নেয়া হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, মিজানুর রহমান তার স্ত্রী রত্না রহমানের নামে কাকরাইলে ১৭৭৬ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট ক্রয়ে ২০১১ সালে চুক্তিনামা করে বিভিন্ন সময় ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫০ টাকা নির্মাণ কোম্পানিকে পরিশোধ করেন। পরে ২০১৬ সালে ফ্ল্যাটটি ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে দলিল রেজিস্ট্রি করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!