রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ নির্দেশ দেন।
ঘুষ নেয়া ও অর্থপাচারের মামলায় পার্থ গোপাল বণিককে পৃথক দুই ধারায় ৮ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
.png)
দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেছেন, পার্থ গোপাল বণিক ডিআইজি প্রিজন্স পদে কর্মরত অবস্থায় অনিয়মের মাধ্যমে যে অর্থ উপার্জন করেছিলেন, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দুদকে ডাকা হয়েছিল। দুদকে ডাকার পর তিনি তা স্বীকার করেন। এরপর তার বাড়িতে অভিযান চালায় দুদক। সেখান থেকে ৮০ লাখ টাকা জব্দ হয়েছিল। পরে জেলখানায় থাকা অবস্থায় তিনি কিছু ইনকাম ট্যাক্স দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে এটাকে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে জব্দকৃত ৮০ লাখ টাকার মধ্যে ৬৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বাকি ১৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা (উপার্জিত) ফেরত দিতে বলেছেন।
তিনি আরো বলেন, দুদক আইনের পৃথক দুই ধারায় তাকে ৮ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এক ধারায় ৫ বছর এবং আরেক ধারায় তাকে ৩ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পার্থ গোপাল বণিকের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী জানিয়েছেন, যে দুই ধারায় সাজা দেওয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।
রায় ঘোষণার আগে পার্থ গোপাল বণিককে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।