ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপালের বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:২১, ৪ নভেম্বর ২০২০
ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপালের বিচার শুরু
আদালত প্রাঙ্গণে বরখাস্ত হওয়া সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল।

ঘুষগ্রহণ ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় বরখাস্ত হওয়া সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপালের বিচার কাজ শুরু হয়েছে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত পার্থের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ গঠন করেন। ওই সময় আসামি পার্থের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে আগামী ১৮ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন বিচারক।

এর আগে আসামি পার্থ গোপালকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আসামির পক্ষে তার আইনজীবী মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। অন্যদিকে দুদক অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। 

Advertisement

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুদকের দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ২৯ অক্টোবর অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ বদলির আদেশ দেন। এর আগে গত ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন ১৪ জনকে সাক্ষী করে আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৯ সালের ২৮ জুলাই কারাগারের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পার্থ গোপাল বণিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার এক পর্যায়ে অভিযানে যায় দুদক। বিকেলে ধানমন্ডির ভূতের গলিতে পার্থ গোপালের ফ্ল্যাট থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করে দুদক। এরপরেই তাকে আটক করা হয়।

পরদিন ২৯ জুলাই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করে দুদক।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বরখাস্তকৃত কারা উপ-মহাপরিদর্শক পার্থ গোপাল বণিক সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে ৮০ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন।

এসব টাকা গোপন করে তার নামীয় কোনো ব্যাংক হিসাবে জমা না রেখে বিদেশে পাচারের উদ্দেশে নিজ বাসস্থানে লুকিয়ে রেখে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!