যৌতুকের অভিযোগে করা ওই মামলায় আগামী ২২ মার্চ তাদের সশরীরে আদালতে উপস্থিত হতে হবে।
সোমবার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. সেলিম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
সমন জারি হওয়া দুই আসামি হলেন- স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস সুমাইয়া ও শ্বশুর জাহাঙ্গীর আলম।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে আগ্রহী অভিযোগকারী স্বামী। সেই সুযোগে শ্বশুর ও স্ত্রী তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে আসছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাদের দাবি অনুযায়ী ভুক্তভোগী স্বামী টাকা দিলে এবার শ্বশুরের ব্যবসার কথা বলে আরো ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। অন্যথায় তার মেয়েকে স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। বাবাকে টাকা না দিলে স্ত্রীও তার স্বামীর সংসার করবে না বলে জানিয়ে দেন।
এছাড়া বাদী দাম্পত্য পুনরুদ্ধারের জন্য স্ত্রীর বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতে পৃথক আরেকটি মামলা করেছেন বলেও জানান তার আইনজীবী সেলিম হোসেন।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্বামী আবু সাঈদ ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর একই আদালতে যৌতুক আইনের ৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সেলিম হোসেন জানান, আসামিরা বাদীর কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেছেন এমন অভিযোগে মামলাটি করা হয়। আদালত নবাবগঞ্জ থানার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দেন।
তিনি আরো জানান, তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বারবার নোটিশ দিলেও আসামিরা তার কাছে উপস্থিত হননি। এছাড়া বিষয়টি আসামিরা গুরুত্ব দেয়নি। তাই বাদীর বক্তব্য উল্লেখপূর্বক তিনি একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। পরে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে আদালত আসামিদের প্রতি সমন জারি করে।