যৌতুকের বলি হলো কাকলি, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে কাকলি আক্তার নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়ি বেগম আক্তারকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কাকলি আক্তারের লাশ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, শুক্রবার বিকেলে ঐ উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের রামপুর হাসুয়ারি গ্রামের সুপল মিয়ার বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে কাকলি আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন তার বাবা আব্দুস সাত্তার। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের শাশুড়ি, স্বামী, দেবরসহ ৫ জনকে।
.png)
তার অভিযোগ, যৌতুকের জন্য কাকলিকে হত্যা করেছে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরপর লাশ উঠানে ফেলে রেখে সে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার চালায় তারা।
নিহতের স্বজনরা জানান, আড়াই বছর আগে সুপল মিয়ার সঙ্গে কাকলির বিয়ে হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা চেয়ে কাকলিকে চাপ দিতো সুপল। শুক্রবার টাকা চেয়ে শাশুড়িকে কল করে সুপল। এ নিয়ে বাক্বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর স্বামীর বাড়িতেই লাশ হয় কাকলি আক্তার।
কাকলির ভাই কামরুল জানান, তার বোনকে হত্যা করে সাত মাস বয়সী একমাত্র সন্তানকে লুকিয়ে রেখেছে সুপল ও তার পরিবারের লোকজন।
কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, নিহতের শাশুড়িকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছি। বাকিরা পলাতক- তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।