ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা: দিহানের বিচার শুরু  

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫২, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা: দিহানের বিচার শুরু  
দিহান- ফাইল ফটো

রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থী আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ইফতেখার ফারদিন দিহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হলো। 

বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এ অভিযোগ গঠন করেন। 

এদিন আসামি দিহানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামি পক্ষে তার আইনজীবী নির্দোষ দাবি করে মামলায় দায় হতে অব্যাহতির আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ মার্চ দিন ধার্য করেন। 

Advertisement

ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে গত বছরের ৭ জানুয়ারি রাতে আনুশকার বাবা মো. আল-আমিন বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় ইফতেখার ফারদিন দিহানকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে গত ৮ নভেম্বর একমাত্র আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহানকে অভিযুক্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মো. খালেদ সাইফুল্লাহ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আরো পড়ুন>>> চুড়িহাট্টার আগুনে ৭১ মৃত্যু: ভবন মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পরে তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। এ মামলার একমাত্র আসামি ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ঐ শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছেন। 

হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে কলাবাগান থানা-পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়- এসব মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!