ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

বিমানের ১৭ সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক 
প্রকাশিত: ১৯:৫১, ১৩ মার্চ ২০২২
বিমানের ১৭ সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের
ফাইল ফটো

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭ সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে পুনরায় অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী আট মাসের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

রোববার এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুদকার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফৌজিয়া আক্তার পপি। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

Advertisement

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে মনজিল মোরসেদ জানান, ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ বিমানের সিবিএ নেতা মো. মসিকুর রহমান, আজাহারুল ইমাম মজুমদার, আনোয়ার হোসেন, মো. ইউনুস খান, মো. মনতাসার রহমান, মো. রুবেল চৌধুরী, মো.রফিকুল আলম, আবুল কালাম, মো.আতিকুর রহমান, মো. হারুনর রশিদ, আবদুল বারি, মো. ফিরোজুল ইসলাম, মো. আবদুস সোবহান, গোলাম কায়সার আহমেদ, মো. আবদুল জব্বার এবং মো. আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিষয় অনুসন্ধানের জন্য দুদক নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা হাজির হতে অস্বীকৃতি জানান। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের পক্ষ থেকে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি মর্মে সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সেই প্রতিবেদনকে যুক্ত করে জনস্বার্থে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন। পরে ঐ বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এ রিটের শুনানি শেষে দুদকের পদক্ষেপে নিস্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

মনজিল আরো জানান, দুদক জানিয়েছে- অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত করেছে। বলা হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে কিছু পাওয়া যায়নি। সেটিকে আমরা আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। কারণ অনুসন্ধানটা তারা সঠিকভাবে করেনি। আদালত সম্পূরক রুল দিয়েছিলেন। অনেক দিন শুনানি হয়েছে। আজকে রায় হয়েছে। আদালত রায়ে বলেছেন, ১৭ নেতার বিষয়ে এরই মধ্যে দুদক যে অনুসন্ধান করেছে সেটা সঠিক হয়নি। সে কারণে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন আগামী আট মাসের মধ্যে নতুন করে ১৭ সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করতে এবং কোনো তথ্য পেলে ব্যবস্থা নিতে। আট মাস পরে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আর মামলাটি চলমান রেখেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!