ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

আফরোজা হত্যা মামলায় গাড়িচালকের স্বীকারোক্তি 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১২, ২২ মার্চ ২০২২
আফরোজা হত্যা মামলায় গাড়িচালকের স্বীকারোক্তি 
গাড়িচালক হৃদয়

সেভেন সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের এমআইএস ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ম্যানেজার আফরোজা সুলতানা হত্যা মামলায় গাড়িচালক হৃদয় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার  ঢাকার মহানগর হাকিম শাকিল আহাম্মদের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা রণপ কুমার এ তথ্য জানিয়েছেন

এদিন রিমান্ড শেষে আসামি হৃদয়কে আদালতে হাজির করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় হৃদয় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

Advertisement

এর আগে ১৫ মার্চ বিকেলে মধ্যবাড্ডা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে হৃদয় বেপারীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও চোরাইকৃত স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। এরপর গত ১৬ মার্চ ডিবি পুলিশ বাড্ডা থানায় দায়ের করা মামলায় হৃদয়কে আদালতে হাজির করা হয়৷ এরপর মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামি হৃদয় ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিল। সে ২০০৫ সালে ড্রাইভিং শিখে বিভিন্ন জায়গায় ড্রাইভার হিসেবে কাজ করে। সর্বশেষ ২০১৫ থেকে আফরোজা সুলতানার ড্রাইভার হিসেবে কাজ করে। একসময় সে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে তার তিন মাসের বাসা ভাড়া বাকি পড়ে যায়। এ কারণে অভাবে পড়ায় সে চিন্তা করে, বেশ কিছু টাকা হলে দূরে কোথাও গিয়ে অন্য ব্যবসা করে সংসার চালাবে। সে ধারণা করে, তার ম্যাডামের কাছে অনেক টাকা ও স্বর্ণালংকার আছে। কারণ সে প্রায়ই দেখত, গাড়িতে করে আফরোজা সুলতানা বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা জমা দিত। এতে তার ধারণা হয়, আফরোজাকে হত্যা করে বাসা থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিতে পারবে। মূলত অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্যই হৃদয় হত্যার পরিকল্পনা করে।

এরপর গত ১৩ মার্চ মধ্য বাড্ডা এলাকার ভাড়া বাসায় আফরোজা সুলতানাকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় আফরোজা সুলতানার ছোট ভাই আব্দুল মাজিদ বাড্ডা থানায় মামলা করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!