সোমবার এ বিষয়ে শরীফের করা রিটের শুনানির সময় এমন মন্তব্য করেছেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বতাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে শরীফের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দিন দোলন। অপরদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন খুরশিদ আলম খান।
গত ১৬ মার্চ বৃহস্পতিবার শুনানি করা হয় এ রিটের। পরবর্তী শুনানির জন্য আজকে দিন নির্ধারণ করা ছিল। ওইদিন আদালতে শরীফের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. সালাহউদ্দিন দোলন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক।
.png)
অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
এর আগে, ১৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অপসারিত উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন চৌধুরী চাকরি ফিরে পেতে একটি রিট আবেদন করেন। দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে থাকার সময় নানা তদন্ত চালিয়ে আলোচিত হন শরীফ। তাকে সেখান থেকে বদলি করা হয় পটুয়াখালীতে। ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য দুদকে রিভিউ আবেদন করেছিলেন শরীফ উদ্দিন। চাকরি হারানোর ১১ দিন পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর তিনি আবেদনটি করেন। শরীফ উদ্দিনকে অপসারণের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে ১০ আইনজীবী একটি রিট করেন। আগামী ১৫ মার্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
গত ১০ মার্চ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ১০ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ রিট দায়ের করেন।
রিটকারী ১০ আইনজীবী হলেন, মোহাম্মদ শিশির মনির, রেজওয়ানা ফেরদৌস, জামিলুর রহমান খান, উত্তম কুমার বণিক, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. তারেকুল ইসলাম, মীর ওসমান বিন নাসিম, সৈয়দ মোহাম্মদ রায়হান, মো. সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নওয়াব আলী।