ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

আত্মসমর্পন করলেন হাজী সেলিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:১৭, ২২ মে ২০২২
আত্মসমর্পন করলেন হাজী সেলিম
হাজী মোহাম্মদ সেলিম- ফাইল ছবি

দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত পুরান ঢাকার সংসদ সদস্য হাজি সেলিম জামিন আবেদন করে আদালতে আত্মসমর্পন করেছেন। 

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে এ আবেদন করে তিনি। 

হাজী সেলিমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট প্রাণ নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রোববার দুপুর ৩টার দিকে হাজি সেলিম আত্মসমর্পণের জন্য আদালতে যান। 
 
তিনি বলেন, আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর জামিন বাতিল হলে হাজি সেলিমকে কারাগারে যেতে হবে। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি উন্নত চিকিৎসা ও ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হাজি সেলিম রোববার বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করবেন তিনি।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, চিকিৎসা শেষে হাজী সেলিম দেশে ফিরেছেন। আগামী ২৫ মের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 

আরো পড়ুন> হাজী সেলিমের আত্মসমর্পণের আবেদন, দুপুরে শুনানি

তিনি বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি উনি (হাজী সেলিম) আমার চেম্বারে এসেছিলেন। তিনি এখনই আত্মসমর্পণ করতে চান। কিন্তু ১৫ মে পর্যন্ত আদালত বন্ধ। তাছাড়া হাইকোর্ট উনাকে ৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আত্মসমর্পণ করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করা হবে। সে প্রস্তুতি চলছে। 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। 

গত ৯ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছর সাজা কমিয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। রায় প্রদান করেন বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক।

রায়ে তিন বছরের দণ্ড থেকে খালাস পান হাজী সেলিম। দুই বিচারপতির স্বাক্ষরের পর ৬৮ পৃষ্ঠার রায়ের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ ২৬ হাজার ১৩২ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে লালবাগ থানায় মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল পৃথক দুটি ধারায় হাজী সেলিমকে ১০ বছর ও তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। এরপর হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!