বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত -১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে এ মামলাটি ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।
.png)
এদিন কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষী সারওয়ার আলমের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৯, ২২, ২৬ ও ২৯ জুন দিন ধার্য করেন।
২০২০ সালের ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড আবু সাঈদ ৮ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। এরপর একই বছরের ১০ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর র্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।
২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে।