ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

মুনিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আনভিরসহ আটজনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক 
প্রকাশিত: ১৩:২৪, ১ আগস্ট ২০২২
মুনিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আনভিরসহ আটজনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ আগস্ট
মুনিয়ার সঙ্গে অভিযুক্ত বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশানে কলেজ শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১) ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৩ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরার আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারিনি। এজন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

Advertisement

২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

৬ সেপ্টেম্বর মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান ৮ জনকে আসামি করে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত গুলশান থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে পিবিআইকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।

ঐদিন দুপুরে নুসরাতের জবানবন্দি রেকর্ড করেন আদালত। ধর্ষণের পর হত্যার এ চাঞ্চল্যকর মামলায় প্রধান আসামি বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহান আনভীর। পাশাপাশি তার বাবা বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, মা আফরোজা সোবহান, আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা, হুইপপুত্র শারুনের সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম, কথিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, পিয়াসার বান্ধবী ও ঘটনাস্থল গুলশানের ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী শারমিন ও তার স্বামী ইব্রাহিম আহমেদ রিপনকে আসামি করা হয়েছে।

ডাক্তারি পরীক্ষার বরাত দিয়ে এজাহারে বলা হয়, মৃত্যুর আগেও মুনিয়া ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ভোরে যশোরে পালিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন। মুনিয়া দু-তিন সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তার পরনের জামা-কাপড় ছেঁড়া ছিল ও পুরুষের ডিএনএ মিলেছে। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!