রোববার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তায়েব-উর-রহমান ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের কামরাঙ্গীরচরের নবীনগর এলাকায় মো. লিটন নামক ব্যক্তিকে এ দণ্ডাদেশ দেন।
অভিযানকালে আদালত নির্মাণাধীন একটি ভবনে এডিস মশার প্রচুর লার্ভা পায়। ঐ ভবনটিতে আসামি মো. লিটন (৫৫) প্রধান মিস্ত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
.png)
এ সময় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে মিথ্যা তথ্য দেন এবং আপত্তিকর আচরণের মাধ্যমে আদালতের কাজে বারবার বাধা দিতে থাকেন। আদালত ঐ ব্যক্তিকে কয়েকবার সতর্ক করলেও তাতে তিনি কর্ণপাত না করে বরং আরো বেশি মাত্রায় বাধা দেওয়ার প্রয়াস নেন। অবশেষে আদালত সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়ায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় ঐ ব্যক্তিকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।
এদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সর্বমোট ৫০৫টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়। এ সময় ১২টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ১১ মামলায় সর্বমোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।