বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনে শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন সাবরিনা অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী প্রণব কান্তি ভৌমিক সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল সরদার বিষয়টি জানিয়েছেন।
.png)
এর আগে, ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সাবরিনার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মামলাটি দায়ের করেন গুলশান থানার নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া। গত বছরের ২৪ নভেম্বর ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক রিপন উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বর্তমানে সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ দেওয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী।
এর আগে, গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন জাল করোনা সনদ দেওয়ার মামলায় সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফুলসহ ৬ জনকে ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। বর্তমানে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন তিনি।