সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ এবং পরীমনির সশরীরে আদালতে হাজিরের বিষয়ে শুনানির জন্য ছিল।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী আদালতকে জানান, আপিল বিভাগ থেকে মামলাটির ওপর স্থগিতাদেশ বিষয়ে শুনানির জন্য রয়েছে। স্থগিতাদেশ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন তিনি।
.png)
এদিকে পরীমনির সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, যেহেতু মামলাটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং। আপিল বিভাগের বিষয়টি নিষ্পত্তি হোক। এরপর যদি তার আদালতে হাজির হতে হয় তাহলে তিনি অবশ্যই আসবেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত উচ্চ আদালতের আদেশ প্রাপ্তি সাপেক্ষে মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আগামী ৩০ অক্টোবর তারিখ ধার্য করেছেন।
এদিন পরীমনির পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দেন। পরীমনির ম্যানেজার আশরাফুল ইসলাম দিপু ও খালু কবীর হাওলাদার আদালতে হাজিরা দেন।
গত ৯ জানুয়ারি পরীমনির মাদক মামলার কার্যক্রম ছয় মাস স্থগিত থাকবে বলে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচাপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ আদেশ দেন।
২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় ঐ বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে কয়েক দফা রিমান্ডে নেয়া হয়। ৩১ আগস্ট জামিন পান পরীমনি। পরদিন তিনি কারামুক্ত হন।