ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির কারাগারে 

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:৪৯, ৩০ আগস্ট ২০২৩
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির কারাগারে 
মো. জাকির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

১৫ কোটি ৪০ লাখ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের  প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের (৫৩) জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বুধবার সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

জাকির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগে কেনিয়া  বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বাগেরহাট জেলা সদরের বাসাবাড়ী গ্রামের বাহুরুল হকের ছেলে। 

Advertisement

২০২২ সালের ১৪ মার্চ দুর্নীতির অভিযোগে আসামি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১), ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩)  এবং  ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি জাকির ২০২১-২০২২ কর বর্ষের আয়কর নথি অনুযায়ী তার নামে ঢাকার ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় ২৬৩ অযুতাংশ জমির উপর ৫ তলা ভবনসহ এক কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকার স্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। এছাড়াও সঞ্চয়পত্রে রয়েছে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়াও ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যের গাড়ী, নগদ ১৯ লাখ ১৯ হাজার ৯৭০ টাকা ও ব্যাংকে গচ্ছিত ৭২ হাজার ৫০৬ টাকাসহ সর্বমোট ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। 

উক্ত সম্পদের বিপরীতে আয়ের উৎস সম্পর্কে তিনি সঠিক তথ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হননি। বিধায় উক্ত সম্পন্ন তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ মর্মে প্রাথমিক ভাবে প্রমাণিত হয়।

তাছাড়া অনুসন্ধানকালে আসামির নামীয় ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাগেরহাট শাখায় বিভিন্ন সময়ে ৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ টাকা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ভিকারুননিসা নুন স্কুল শাখার ১টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৩০ টাকা এবং পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমণ্ডি শাখায় এফডিআর হিসাবে ৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৯ টাকাসহ সর্বমোট ৪১ কোটি ৩৬ লাখ ৭ হাজার দুই টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংক সমূহে লেনদেনকৃত উক্ত অর্থের বৈধ উৎস সংক্রান্ত কোন রোকর্ডপত্র অনুসন্ধানকালে পাওয়া যায়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!