ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

মোহাম্মদপুরে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই, ৫ ভুয়া র‌্যাব রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:২৩, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
মোহাম্মদপুরে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই, ৫ ভুয়া র‌্যাব রিমান্ডে
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে র‌্যাব পরিচয়ে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ে জড়িত ৫ জনকে দুইদিনের রিমান্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন- সুমন মিয়া, মাসুদ মিয়া, আশরাফুল ইসলাম ওরফে আপেল, ইকবাল হোসেন ও সাইদুল হক।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে আসামিদের হাজির করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতে মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

Advertisement

এর আগে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর টাউনহল এলাকায় ইউসিবি ব্যাংকের সামনে গাড়ি নিয়ে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নেয়ার সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভুয়া নম্বর প্লেট লাগানো প্রাইভেটকার, চারটি ভুয়া নম্বরপ্লেট, র‌্যাবের দুটি কালো জ্যাকেট, একটি ক্যাপ, একটি খেলনা পিস্তল, হাতকড়া, একটি লাঠি ও পুলিশের দুটি স্টিকার জব্দ করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চক্রটি মূলত ব্যাংক থেকে টাকা তোলা বা টাকা জমা দিতে যাওয়া ব্যক্তিদের টার্গেট করে। তিন মাসে তারা ২৫-৩০টি ছিনতাই-ডাকাতির ঘটনায় হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত ১০ কোটি টাকা।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ২টার দিকে মোহাম্মদপুরের রিং রোডের ডাচ-বাংলা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে পূবালী ব্যাংকে জমা দিতে যাচ্ছিলেন মো. ইসরাফিল। সে সময় হঠাৎ তার সামনে দাঁড়ায় একটি প্রাইভেটকার। র‌্যাবের জ্যাকেট পরা দুই ব্যক্তি তাকে গাড়িতে তুলে মারধর করে ব্যাগে থাকা ৫ লাখ ৪৫ হাজার এবং পকেটের আড়াই হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে শেরেবাংলা নগরে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভগ্নিপতি মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে এমন আরো কয়েকটি ছিনতাইয়ের তথ্য পেয়েছে।

এ ঘটনায় শ্যামলীর ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের আশপাশের এলাকা ও আসামিদের যাত্রাপথের প্রায় ২০০ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছে পুলিশ। একটি সন্দেহজনক গাড়ির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। কয়েকজন ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। এক পর্যায়ে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের ভেতরে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের অবস্থান পাওয়া যায়। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত চক্রটিকে শনাক্ত করা হয়। চক্রটি ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোয় দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ফেরা ব্যক্তিদের র‌্যাব পরিচয়ে গাড়িতে তুলে সর্বস্ব লুট করতো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!