বুধবার ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি। এদিন তার সাক্ষ্য শেষ না হওয়ায় আগামীকাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
এর আগে, এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের তৎকালীন পরিদর্শক আব্দুল জলিল শেখ সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। তবে তার জেরা এখনো বাকি রয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে ৫৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য হয়েছে।
.png)
মামলার সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই বিকেলে সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঐ ঘটনায় রমনা থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্বামী সালাম চৌধুরী।
মামলায় দীর্ঘ তদন্তের পর ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সগিরার ভাসুরসহ চারজনকে আসামি করে এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। এরপর একই বছরের ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার আসামিরা হলেন- সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী (৭০), সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহিন (৬৪), শ্যালক আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান (৫৯) ও মারুফ রেজা (৫৯)।
এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছর পর এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি মামলার বাদী ও সগিরা মোর্শেদের স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।