বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোমেনুল ইসলাম দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এদের মধ্যে সাগর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড এবং ইশিতা বেগমের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত সাগরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আরেক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিনের আদালত ইশিতার দুইদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। আশুলিয়া থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপ-পরিদর্শক মাসুদ মিয়া এ তথ্য জানান।
.png)
এর আগে, সোমবার রাতে গাজীপুরের শফিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে র্যাব।
জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সাগর সাভারের বারইপাড়া এলাকায় সাগর আলীর সঙ্গে ভুক্তভোগী মোক্তার হোসেন বাবুলের পরিচয় হয়। কবিরাজি ও ভেষজ ওষুধের দোকানে তার শারীরিক সমস্যার বিষয়ে চিকিৎসা নিয়ে কথা হয় সে সময়। ঐ সময় ৯০ হাজার টাকায় চুক্তি হয় ওষুধ দেওয়ার বিষয়ে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে সাগর ও তার স্ত্রী গাজীপুরের মৌচাক থেকে মোক্তারের সঙ্গে আশুলিয়ার ইউনিক মোড়ে সাক্ষাৎ করতে তাদের বাসায় যান।
বাসায় গিয়ে চেতনানাশক খাইয়ে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ থানার লোহাগড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে মোক্তার হোসেন বাবুল (৫০), তার স্ত্রী সহিদা বেগম (৪০) ও তাদের ছেলে মেহেদী হাসান জয়কে (১২) অজ্ঞান করে বটি দিয়ে কুপিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় ১ অক্টোবর দুপুরে মোক্তার হোসেনের ভাই আয়নাল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।