ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি: চার আসামি রিমান্ডে 

মিনহাজুল ইসলাম 
প্রকাশিত: ১৮:৫১, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি: চার আসামি রিমান্ডে 
গ্রেফতার চার অপহরণকারী। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর খিলক্ষেত থানা এলাকা থেকে অপহৃত এক যুবককে অভিযোগ দায়েরের চার ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতার চার অপহরণকারীর তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

রিমান্ডে যাওয়া অপহরণকারীরা হলেন- মো. ইকবাল হোসেন হাওলাদার, মো. জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার, মো. রাজু ও মো. আলামিন।

মঙ্গলবার আসামিদের আদালতে উপস্থিত করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা আক্তারের আদালত প্রত্যেকের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

Advertisement

মামলার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকালে অপহৃত রিমন চন্দ্র দে’র বাবার কাছে তার মোবাইল নম্বর থেকে ফোন আসে। ছেলের ফোন রিসিভ করার পর অপর পাশ থেকে এক ব্যক্তি বলেন আপনার ছেলে আমাদের কাছে জিম্মি, তাকে সুস্থ শরীরে ফেরত পেতে চাইলে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর অপহরণকারীরা আবার ফোন করে নগদ সার্ভিসের তিনটি নম্বর দিয়ে ৫ লাখ টাকা দিতে বলে। উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা তাদের দেওয়া নম্বরে নগদে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। এ বিষয়ে অপহৃতের বাবা খিলক্ষেত থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পেয়ে খিলক্ষেত থানা পুলিশের দুটি টিমকে নিয়োজিত করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ক্যান্টনমেন্ট জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মেরিনা আক্তারসহ খিলক্ষেত থানার একটি টিম সোমবার অপহৃত রিমনকে উদ্ধার করে। তাকে উদ্ধারের পর গাজীপুরের বাসন থানার সালনা বাজার ও ঢাকার খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার, ৫টি মোবাইল ফোন, একটি চাকু, একটি গামছা, রশি ও নগদ ৯৪ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে, গ্রেফতাররা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র। তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করত। গ্রেফতার প্রত্যেকের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অপহরণ হওয়া রিমনের বাবা রঞ্জিত চন্দ্র দে বলেন, আমি খিলক্ষেত থানায় অভিযোগ করার পর মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যে ছেলেকে তারা উদ্ধার করেছে। পুলিশের আন্তরিকতা ও তাদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য ছেলেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়েছি। এজন্য খিলক্ষেত থানা-পুলিশের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!