ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

এএসপি আনিসুল হত্যা: ১৫ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৪ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:৪৪, ৯ নভেম্বর ২০২৩
এএসপি আনিসুল হত্যা: ১৫ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৪ জানুয়ারি
এএসপি আনিসুল করিম শিপন- ফাইল ফটো

রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপন হত্যা মামলায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী বছরের ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলামের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের কথা ছিল। তবে এদিন সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন করে। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন আদালত।  একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।  এর ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

Advertisement

এদিন রাষ্ট্রপক্ষ শুনানি করে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে বলেন। অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

উল্লিখিত আবদুল্লাহ আল মামুন বাদে বিচার শুরু হওয়া আসামিরা হলেন- মাইন্ড এইড হাসপাতালের পরিচালক আরিফ মাহামুদ, ফার্মাসিস্ট তানভীর হাসান, কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন, সাজ্জাদ আমিন ও ফাতেমা খাতুন, হাসপাতালের সমন্বয়ক রেদোয়ান সাব্বির, হাসপাতালের কর্মচারী মাসুদ খান, জোবায়ের হোসেন, তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম কুমার পাল, লিটন আহম্মেদ, সাইফুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল-আমিন।

আসামিদের মধ্যে অসীম কুমার পাল কারাগারে ও শাখাওয়াত হোসেন পলাতক। বাকি ১৩ আসামি জামিনে আছেন।

গত ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এএসপি আনিসুল করিম শিপন। এ ঘটনার পরদিন ১০ নভেম্বর আদাবর থানায় ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন আনিসুল করিম শিপনের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফাইজুদ্দিন আহম্মেদ। ২০২২ সালের ৮ মার্চ ঢাকার আদালতে ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন আদাবর থানার পরিদর্শক মো. ফারুক মোল্লা।

তবে এ মামলার আসামি ডা. নুসরাতের নাম অভিযোগপত্রে আসেনি। এএসপি আনিসের পরিবারের ধারণা, ডা. নুসরাত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। এ জন্য মামলাটি পুনরায় তদন্তের আবেদন করেন আনিসের বাবা ফাইজুদ্দীন আহম্মেদ। পরে আদালত তা মঞ্জুর করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) এ কে এম নাসির উল্যাহ জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সম্পুরক চার্জশিট দাখিল করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!