ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:৪৬, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩
সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন
সগিরা মোর্শেদ- ফাইল ফটো

তিন দশক আগে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি তথা মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করে যুক্তিতর্ক শেষ করেছেন। এদিন আসামিপক্ষেরও আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়। অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান, মারুফ রেজা ও মন্টু মন্ডল।

রোববার ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

Advertisement

আইনানুযায়ী যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হবে। এ নিয়ে মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন মামলার চার্জশিটভুক্ত পাঁচ আসামি। এরপর তারা সাফাই সাক্ষী দেবেন না বলে আদালতকে জানান।

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঐ ঘটনায় সগিরার স্বামীর করা মামলায় মারুফ রেজা ও আনাস মাহমুদকে আসামি করা হয়।

২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালতে পাঁজজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, সগিরা মোর্শেদের পরিবারের সঙ্গে আসামি শাহীনের বিভেদ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া শাশুড়ি সগিরাকে অপছন্দ করতেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সগিরা-শাহীনেরও মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সম্বোধন করা নিয়েও ছিল পারিবারিক দ্বন্দ্ব।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, সগিরার কাজের মেয়েকে মারধর করেন আসামি ডা. হাসান আলী চৌধুরী। এ নিয়ে পারিবারিক বৈঠকে সগিরাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন শাহীন। আসামিরা নিজেদের বাসায় বসে সগিরাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ডা. হাসান আলী তার চেম্বারে অন্য আসামি মারুফ রেজার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হত্যার চুক্তি করেন।

২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত সগিরা মোর্শেদের ভাসুরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছর পর এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর গত বছরের ১১ জানুয়ারি মামলার বাদী ও সগিরা মোর্শেদের স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!