দোষ স্বীকার করেননি পিকে হালদার, আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু
ভারতে বন্দি পিকে (প্রশান্ত কুমার) হালদারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সোমবার পিকে হালদারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু করে কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিচারক শুভেন্দু সাহা।
এর ফলে আসামিতে রূপান্তরিত হল প্রশান্ত কুমারসহ তার পাঁচ সহযোগী। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষী গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন বিচারক।
এদিন মূলত ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এর তদন্তে উঠে আসা এক হাজার পাতায় কপিতে যা যা অভিযোগ আনা হয়, তা পিকে হালদারসহ প্রত্যেককে পড়ে শোনানো হয়। সেসব শোনার পর তারা আদালতে জানায়, তারা নির্দোষ।
.png)
এরপরই তাদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো। যদি তারা দোষ স্বীকার করে নিত তাহলে এদিনই বিচারক সাজা ঘোষণা করতেন। তারা দোষ স্বীকার না করায় যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া এখন থেকে চলবে।
এদিন আদালতে হালদারদের বিরুদ্ধে চার্জ ফ্রেম (তদন্তে উঠে আসা অভিযোগ) গঠন করেছে ইডির আইনজীবী অরিজিত চক্রবর্তী। তাদের বিরুদ্ধে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২ এর আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২২ সালের ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার বৈদিক ভিলেজ থেকে হালদারদের গ্রেফতার করে ইডি। এরপর থেকে সেখানেই বন্দী রয়েছেন তারা। ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২’ অর্থাৎ অবৈধভাবে অর্থপাচার এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে তাদের ছয়জনকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।
বর্তমানে পিকে হালদার ও পাঁচ সহযোগীকে রাখা হয়েছে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে। নারী সহযোগী আমিনা সুলতানা আছেন কলকাতার আলিপুর সংশোধনাগারে।