মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল।
এদিন আসামি সাহেদ করিমকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়নি। এজন্য সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আবেদন মঞ্জুর করে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত নয়জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
.png)
হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুদক।
মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখিত অন্য আসামিরা হলেন- স্বাস্থ্য অধিফতরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।
২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এ মামলা করেন। পরে ২০২২ সালের ১২ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আলোচিত এ মামলার বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেন।