ইফতারে খেজুর খেলে মুক্তি মিলবে নানা রোগ থেকে
ইফতারির তালিকায় খেজুর চাই-ই। রমজান মাস ছাড়াও সারা বছর এই সুস্বাদু ফলের কমবেশি চাহিদা থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে পাকা বিদেশি খেজুরের চল বেশি। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এখনো টিকে আছে দেশি খেজুর খাওয়ার রীতি।
রমজান মাস জুড়েই ইফতারে সবাই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। মুসলিমদের জন্য খেজুর অনেক প্রিয় একটি খাবার। রোজা এলে ইফতারের খাদ্যতালিকায় এর স্থান থাকে সর্বাগ্রে। এ খেজুরের রয়েছে অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ।
খেজুরে রয়েছে ভেষজ ও অনেক পুষ্টি উপাদান; যা সারাদিন রোজা রাখার পর খানিকটা পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, সৌন্দর্য বর্ধনে এবং শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। চুল ও ত্বকের ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই খেজুর।
.png)
খেজুরে রয়েছে পানি, খনিজ পদার্থ, আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ভিটামিন ‘বি-১’, ভিটামিন ‘বি-২’ ও সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ‘সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত।
খেজুরের যেসব উপকারিতা-
* খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
* ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
* খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
* খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।
* রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
* প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
* যারা চিনি খান না তারা খেজুর খেতে পারেন। চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।
* কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।