ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ লাইফস্টাইল ]

সেফটিপিন লাগবে না, শাড়ি ড্রেপিং করুন এভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০০, ২১ ডিসেম্বর ২০২২
সেফটিপিন লাগবে না, শাড়ি ড্রেপিং করুন এভাবে
ছবি: অন্তর্জাল

শাড়িতে বাঙালি নারী অনন্য। কিন্তু শাড়ি পরা ভুল হলে সাজটা যেমন মাটি হয় আবার হাঁটতে চলতেও সমস্যা হয়। শাড়ি পরার সময়ে শুধুই শাড়ির দিকে নজর দিলে হবে না। বরং আরো অন্যান্য দিকেও নজর দিতে হবে। যেমন আপনাকে সঠিক ব্লাউজ বেছে নিতে হবে। কীভাবে বুঝবেন সঠিক ব্লাউজ কোনটি? সে জন্য খেয়াল রাখুন এই কয়েকটি দিকে। 

প্রথমেই ব্লাউজের ফিটিংস বুঝে নিন। খুব টাইট ব্লাউজ যেমন আপনি পরবেন না। আবার খুব ঢিলা ব্লাউজও পরবেন না। শাড়ির সঙ্গে খুব টাইট ব্লাউজ পরলে আপনার সাজটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। যদি ঢিলা ব্লাউজ পরেন, তাহলেও ভালো লাগবে না। 

আপনি যদি সেফটিপিনের ব্যবহার না করে শাড়ি পরতে চান, তাহলে আপনাকে সঠিক পেটিকোটটা বেছে নিতেই হবে। আপনি যদি না চান যে, শাড়ির সঙ্গে অতিরিক্ত ঘের আপনার সৌন্দর্য নষ্ট করে দিক, তাহলে ঘের দেওয়া পেটিকোট এড়িয়ে চলুন। বডিশেপার ব্যবহারের চেষ্টা করুন। বডিশেপারে আপনার কার্ভ ঠিকভাবে বোঝা যায়। এছাড়াও সিল্কের শাড়ির সঙ্গে সিল্কের পেটিকোট পরার চেষ্টা করুন। আর সুতির শাড়ির সঙ্গে সুতির পেটিকোট পরলেই ভালো।

Advertisement

কোমরে কুঁচি করার সময় একগাদা সেফটিপিন লাগাতে যাবেন না। না সব সময় তো আপনার তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং আপনি যদি এটা জানেন যে, কোমরের কোথায় ঠিক কুঁচিটা করা উচিত, তাহলে আপনার সেফটিপিনের প্রয়োজন হবে না।

খুব নিচু করেও শাড়ি পরবেন না। আবার খুব উঁচু করেও শাড়ি পরবেন না। নাভির নিচে শাড়ি পরা উচিত নয়। আবার একদম বুকের নিচেও পরা উচিত নয়। নাভির ঠিক উপরেই শাড়ির কুঁচি করার সঠিক স্থান। তাই ওখানেই শাড়ির কুঁচি গুঁজে নিন।

এমন করে আপনাকে শাড়ি পরতে হবে, যাতে আপনার গোড়ালি ঢাকা পড়ে। আবার রাস্তাতেও শাড়ি না লুটোয়। শাড়ি যেন আপনার গোড়ালি থেকে উপরে না উঠে যায়। আপনি যে জুতা পরে শাড়ি পরবেন, সেই জুতা পরে নিন। ও তার সঙ্গে শাড়ির ঝুলটি ম্যাচ করে নিন। তারপর জুতা খুলে শাড়ি পরুন। এতে বুঝতে সুবিধা হবে।

আঁচল করার সময়েও খেয়াল রাখুন। অনেক লম্বা আঁচল করবেন না। এতে আপনার লুক নষ্ট হয়। আবার ছোট আঁচলে কিন্ত আপনাকে বেঁটে দেখাতে পারে। সঠিকভাবে আঁচল না করতে পারলে তা ঠিক করার জন্য আপনার একগাদা সেফটিপিনের প্রয়োজন হবেই।

আপনি যদি শাড়ি পরার এই সব কটি নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলতে পারেন, তাহলে সব সময় আপনার একগাদা সেফটিপিন প্রয়োজন হবে না। সঠিক পেটিকোট ও সঠিক ব্লাউজ পরলে সেখানে আপনাকে অতিরিক্ত সেফটিপিন লাগাতে হবে না। আবার এই কথাও ঠিক যে, শাড়ির আঁচল যদি আপনি একদম টাইট ও ঠিক ঝুলে করতে পারেন, তাহলে সেখানেও সেফটিপিন প্রয়োজন হবে না আপনার। এই কথা ঠিক যে, যখন প্রথম শাড়ি পরা শুরু হয়, তখন কিন্তু এই সেফটিপিনের ব্যবহার হত না। 

তবে সম্পূর্ণ শাড়িতে যদি একটাও সেফটিপিন না ব্যবহার করেন, আঁচল ঠিক রাখার জন্য একটি সেফটিপিন আপনি লাগিয়ে নিতে পারেন। পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াত করার জন্য প্রয়োজন হবে।

সূত্র: এই সময়
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!