মাংসের বাজারে উত্তাপ
দেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, বেড়েছে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে কমেছে সবজি, মুরগি ও ডিমের দাম। তবে গরুর মাংস,খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।
বৃহস্পতিবার মতিঝিল, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজারসহ অন্যান্য বাজার ঘুরে ও সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ঢাকায় গাড়ি চলাচল শুরু হওয়ায় বেড়েছে মুরগি সরবরাহের পরিমাণ। কারওয়ান বাজারের ঘুরে দেখা যায় সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি সব ধরনের মুরগির দাম ২০ টাকা কমে ব্রয়লার ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের এক মুরগী ব্যবসায়ী বলেন, গত কয়দিন দেশের পরিবেশ স্বাভাবিক ছিল না। গাড়ি আসতে পারেনি, তাই দাম একটু বেশি ছিল। দেশের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক হওয়াতে ঢাকায় মুরগির গাড়ি আসতে শুরু করেছে। তাই মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে মুরগির পাশাপাশি কমেছে ডিমের দাম। ডিমের দাম ডজন প্রতি ২০ টাকা কমে ১৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ডিম বিক্রেতারা বলছেন, বর্তমানে ঢাকায় গাড়ি চলাচল করছে। এতে করে বাজারে ডিম সরবরাহ বেড়েছে। তাই দাম কমতে শুরু করেছে।
ডিম ও মুরগির দাম কমলেও চালের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। বিক্রেতারা বলেন, যানবাহন চলাচল শুরু করলেও চালের চালান ঐভাবে আসতে শুরু করেনি, আর চালের বাজারে ক্রেতা তেমন নেই,তাই আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মিনিকেট ৭২ টাকা, আটাশ চাল ৫৮ টাকা, মোটা চাল ৫২ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায় সবজির দাম কমেছে। কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমে বেগুন ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকায়, পটল, ঢেঁড়শ, ধুন্দুলের কেজি ৪০ টাকা, কাঁচামরিচের কেজি ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙ্গা-মুলা ৩০টাকা, পেঁপে-শসার কেজি ৩০, বরবটি ৭০, টমেটো ১৭০ টাকা কেজি। লাল শাক, পালং ও পাট শাকের আঁটি ১০ টাকা বিক্রি করতে দেখা যায়।
মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গরুর মাংসের দাম আগের মতই চড়া। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাংস ব্যবসায়ী বলেন, দেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও গরু-ছাগল বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আর বাজারে ক্রেতা কম; তাই দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই।