বৃহস্পতিবার বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ কিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে- ১২ লাখ ১৩ হাজার ১৭১ ইয়াবা ট্যাবলেট, সাত কেজি ৮৯৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, এক কেজি ৮৮৫ গ্রাম হেরোইন, তিন কেজি ১৫০ গ্রাম আফিম, ২২ হাজার ৬৭ বোতল ফেনসিডিল, ১২ হাজার ৫৮৮ বোতল বিদেশি মদ, তিন হাজার ৯৬০ ক্যান বিয়ার, দুই হাজার ১৪৮ কেজি গাঁজা, দুই লাখ ৮০ হাজার ৬৩৯ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ৮৩৫ কেজি তামাক পাতা, ৫১ হাজার ১৩৭টি ইনজেকশন, পাঁচ হাজার ৬৯৬টি ইস্কাফ সিরাপ, এক হাজার ৩১ বোতল এমকেডিল/কফিডিল, ছয় লাখ ৫২ হাজার ১৬২ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ চার হাজার ৪০০টি অ্যানেগ্রা/সেনেগ্রা ট্যাবলেট এবং ৬৮ হাজার ৯৬৩টি অন্যান্য ট্যাবলেট।
.png)
অন্যান্য চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ১৪ কেজি ৫৮৫ গ্রাম স্বর্ণ, ৩৫ কেজি ২৭৪ গ্রাম রূপা, ৭১ হাজার ৯৫৯টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ১৮ হাজার ৭৮৬টি ইমিটেশন গহনা, ৯ হাজার ৫২৬টি শাড়ী, এক হাজার ৮০০টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ৪৬৬টি তৈরি পোশাক, এক হাজার ৯৪২ ঘনফুট কাঠ, ২৬ হাজার ১৯২ ঘনফুট পাথর, পাঁচ হাজার ৫৩৬ কেজি চা পাতা, ৪৯ হাজার ৬০০ কেজি কয়লা, ১১১ কেজি কারেন্ট জাল, একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি, পাঁচটি ট্রাক/কাভার্ড ভ্যান, চারটি প্রাইভেটকার/মাইক্রোবাস, সাতটি পিকআপ, ২৫টি সিএনজি/ইজিবাইক এবং ৮৪টি মোটরসাইকেল।
এছাড়াও বিভিন্ন প্রকারের ৩১টি অস্ত্র, দুটি ম্যাগাজিন, ৮৪ রাউন্ড গুলি এবং ১১৬ কেজি বিস্ফোরক জাতীয় সালফার আটক করা হয়।
সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২২৭ জন চোরাচালানীকে এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ১৬৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক, ৯ জন ভারতীয় নাগরিক এবং একজন আফগান নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।